আমার সম্পর্কে

মাওলানা সেলিম হোসাইন আজাদী একটি পরিবার, সমাজ, দেশ এমনকি গোটা প্রজন্মকে ধ্বংস করে দেয় মাদক। মাদকের কালো থাবায় মুহূর্তেই নিভে যায় তরুণ জীবনের রাঙা অরুণ। ঘোর অন্ধকার নেমে আসে কৈশোরের সোনালি সকালে। যে শিক্ষার্থী স্কুলে সবসময় প্রথম ছাড়া দ্বিতীয় হয়নি, সেই মেধাবী ছেলেটিই কলেজে ওঠে হঠাৎ ফেল করে বসে। আচরণেও খিটখিটে মেজাজের হয়ে পড়ে নিপাট ভদ্র বালকটি। বাবা-মা, ভাই-বোন কারও কোনো কথাই ভালো লাগে না তার। খোঁজ নিয়ে জানা যায় সে মাদকাসক্ত। খারাপ বন্ধুর পাল্লায় পড়ে কলিজার টুকরো সন্তানকে ভয়ঙ্কর নেশায় আসক্ত দেখে বাবা-মা অভিভাবকদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। কত অভিভাক এসে বলেন, হুজুর! নীরবে-নিভৃতে বসে কাঁদি, কেন আমার সন্তান মাদকে জড়িয়ে গেল! আল্লাহ কেন এ পরীক্ষায় আমাকে ফেললেন! এসব বাবা-মায়ের চেহারার দিকে তাকানো যায় না। এদের একমাত্র আশা সন্তান যেন মাদকের অভিশপ্ত জীবন থেকে সুস্থ জীবনে ফিরে আসে। মাদকের ভয়াল থাবায় গুঁড়িয়ে যায় সোনার সংসারও। প্রতিবছরই বিভিন্ন গণমাধ্যম সংবাদ প্রকাশ করে ঢাকাসহ জেলা শহরগুলোতে বিবাহ বিচ্ছেদের হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। ঢাকায় প্রতি ঘণ্টায় একটি সংসার ভাঙার আবেদন পড়ে। চট্টগ্রাম-বরিশালে এক ঘণ্টার কম সময়ে অর্থাৎ প্রতি ৪০ থেকে ৫০ মিনিটে একটি তালাকের আবেদন পড়ে। বেশিরভাগ আবেদনকারীই নারী। নারীরা কেন তালাকের আবেদনে এগিয়ে এ নিয়ে একটি গবেষণা করেন বাংলাদেশের গবেষকরা। আবেদনকারী নারীদের অর্ধেকের বেশিই জানিয়েছেন, স্বামীর মাদকাসক্তের কারণে সংসার টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয় না। স্বামীর মাদকের টাকা জোগাতে হয়, টাকা না দিলে স্ত্রী-সন্তানকে মারধর করে, এসব অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে অসহায় নারী মুক্তি খুঁজে নেয় বিবাহ বিচ্ছেদে। মাদকাসক্ত ব্যক্তি শুধু পরিবার বা সমাজের বোঝা নয়, রাষ্ট্র এমনকি মানবতারও বোঝা। হে মাদকাসক্ত তরুণ! এ বোঝা থেকে নিজেকে সম্পদে রূপান্তরিত করার সেরা সময় মাহে রমজান বয়ে যায়। মাদকাসক্তদের বড় সমস্যা হলো ডিপ্রেশন বা হতাশা। হতাশা থেকে মুক্ত ... বিস্তারিত

কে. আর প্লাজা (১২ তলা) ৩১, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০
ফোন: ০২-৯৫১৫৬৪৬, মোবাইল: ০১৭১৮৭৭৮২৩৮, ০১৯৬৫৬১৮৯৪৭
ইমেইল- mawlanaselimhossainazadi1985@gmail.com
ওয়ের সাইট: selimazadi.com