মো. রফিকুল ইসলাম তালুকদারের চোখে মাওলানা সেলিম হোসাইন আজাদী

মাওলানা সেলিম হোসাইন আজাদী | শনিবার, ০৪ জুলাই ২০১৫ | পড়া হয়েছে 615 বার

মো. রফিকুল ইসলাম তালুকদারের চোখে মাওলানা সেলিম হোসাইন আজাদী

জননী সেতারা বেগম এক আলোক শিশুর জন্মদান করেন। আদর করে তার নাম রাখা হয় সেলিম হোসাইন। ১৯৯৫-এর ১৩ অক্টোবর দিনটি বাবা মানিক তালুকদারের হৃদয়ে চিন্তার আজাদী এনে দিয়েছিল। সেলিম হোসাইন তাই মাওলানা খেতাব অর্জন করে মাধবপাশা, বাবুগঞ্জ এবং গোটা বরিশালকে ধর্মীয় আজাদীর সবক দিলেন। ক্রমে তিনি হয়ে উঠলেন এক হৃদয়ছোঁয়া মানবপ্রেমিক, মনভোলানো বক্তা মাওলানা সেলিম হোসাইন আজাদী। মানুষকে মানবতা এবং ধর্মীয় আজাদী শেখানোই তাঁর জীবনের একমাত্র ব্রত। তারা গ্রন্থগুলোর মধ্যে ইসলাম সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ধর্ম কেন হল (২০০৮), আল্লাহর দয়ার পরিচয় (২০১০), আলোকিত জীবনের পথ (২০১৩), ইসলামে মায়ের প্রতি ভালোবাসা (২০১৫) পাঠক হৃদয়ে ছোঁয়া দিয়েছে। মাওলানা আজাদী বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে কামিল ও কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। হালে ওয়াজ-মাহফিল ও কোরআনের তাফসির কর মানব মনে ধর্মের চারা রোপণ করেছেন। তার মন-মগজে মিশে আছে শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতির ঘ্রাণ। তিনি এ দেশের আকাশ মিডিয়া যতটা বিচরণ করছেন প্রিন্ট মিডিয়ায়ও বিচরণ রয়েছে তার। মানবতার প্রেম কথা বলে যাচ্ছেন সরকারি-বেসরকারি টিভি চ্যানেলে। দেশের শীর্ষ দৈনিকগুলোতেও লিখছেন দু’হাত। তার ভাষণ, বক্তৃতা ও গদ্যে বারবার উচ্চাবিত হয় মা- মাটি ও ইসলাম। দেশ স্বাধীনতা এবং ইসলামের কথাই চিত্রায়িত হয় তার চিন্তায়। প্রতিভাবান এ মানুষটি ঢাকার ধানমন্ডি হাতিরপুল বাইতুল মুমরি চামে মসজিদের খতিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। আল্লাহর ঘরের মেহমান সম্মানিত হাজীদের হজ্ব করানোর জন্য প্রতিষ্ঠা করেছেন, এম সেতারা ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল নামক একটি প্রতিষ্ঠান। একাধিক শিক্ষা, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সেবা প্রতিষ্ঠানের মধ্যমণি তিনি। সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর ঐতিহাসিক ভ্রমণ- ঘুরে দেখা মুসলিম বিশ্ব গ্রন্থ মাওলানা সেলিম হোসাইন আজাদীকে নতুন ধারার লেখ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেবে পাঠকের সঙ্গে।

পাংশা, এয়ারপোর্ট, বরিশাল

মন্তব্য...

comments